#আমার কথা

#আমার কথা

২০১৮ ইন রিভিউ - ক্যারিয়ার, লাইফ এবং ফ্রেন্ডস

২০১৮ সালের জানুয়ারির কোন এক সকালে ঘুম ভাঙ্গলো ফোনের রিংটোনে। আমি সাধারণত মোবাইল মিউট করে ঘুমাতে যাই, সেদিন মিউট করতে মনে ছিল না কেন জানি। ফোন হাতে নিয়ে দেখি ইউএস এর একটা নাম্বার থেকে ফোন এসেছে। ফোন রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে মিষ্টি সুরে আমি যেই কোম্পানিতে জব করি সেই কোম্পানির প্রজেক্ট ম্যানেজার বললঃ > Solayman can we discuss something in Slack please? দ্রুত হাতমুখ ধুয়ে কম্পিউটার ডেস্কে চলে আসলাম। মেজাজ খারাপ হয়ে গেছে, এমনিতেই ডেইলি ১২ ঘণ্টা কাজ করেও কাজ শেষ করতে পারছি না। তারপর আরও কাজ দিলে কঠিন ভা
আরো পড়ুন
#আমার কথা

আমার মা এবং আজকের আমি হয়ে ওঠার পেছনের ৮০০ টাকা

২০১৭ সাল, আজকে আমি নিজেকে সফল বলে দাবি করতে পারি। মহান আল্লাহ্‌র রহমতে সকল অভাব-অনটন থেকে মুক্তি পেয়েছি, আলহামদুলিল্লাহ। নিজের ও পরিবারের যেকোনো ইচ্ছা সাথে সাথে পূরণ করতে পারি। কিন্তু এমনটা নাও হতে পারতো, যদি আমার মা ৫-৬ বছর আগে মাসে ৮০০ টাকা না দিত। ৫-৬ বছর আগে যখন প্রবল আগ্রহ নিয়ে কাজ শেখা শুরু করি, তখন এখনকার মতো চাইলেই এতো রিসোর্স পাওয়া যেতো না। ইন্টারনেট ঘেটে ঘেটে রিসোর্স খুজতে হতো। যেহেতু মফস্বলে থাকতাম, তাই ব্রডব্যান্ড ছিল না। ইভেন কয়েক মাস আগেও ছিল না। বাধ্য হয়ে নিজেই ব্রডব্যান্ড বিজনেস
আরো পড়ুন
#অন্যান্য

আমার সাথে একজন ইন্ডিয়ান ডেভেলপার এর একটি ইন্টারভিউ

একজন ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার লাগবে ছোট একটা কাজের জন্য। আমি অন্য প্রজেক্টে ব্যস্ত আছি জন্য ক্লায়েন্টে হায়ার করতে বললাম। ইন্টারভিউতে আমাকে বসিয়ে দিল। আমার প্রশ্নঃ মিয়া তোমার বাড়ি কই? ডেভেলপারঃ ইন্ডিয়া। আমিঃ দারুন। ডেভেলপারঃ থ্যাঙ্ক ইউ। আমিঃ তোমারেও থ্যাঙ্ক ইউ। গুড বাই… 😀 ডেভেলপারঃ সরি? আমিঃ আসলে আমাদের বেশ কয়েকটি সুন্দর অভিজ্ঞতা আছে ইন্ডিয়ান ওয়ার্কারদের নিয়ে। তাই আমরা ইন্ডিয়ানদের সাথে কাজ করতে চাচ্ছি না। ডেভেলপারঃ হ্যালো স্যার, আমি ওয়ার্কার নই। আমি একজন ডেভেলপার। আমিঃ অহ আচ্ছা। আচ্ছা, ডেভে
আরো পড়ুন
#আমার কথা

ছোট বেলার হারিয়ে যাওয়া দিনগুলি – ২য় পর্ব

ছোটোবেলাটা অনেক মজার তাইনা? বড়রাই খালি ছোটবেলার মজাটা বুঝতে পারে। কিন্তু টাইম মেশিনে করে ছোটবেলায় ফিরে যাওয়াতো আর সম্ভব না, তাই ছোটবেলার কথা মনে করেই খুশি থাকতে হবে। কিন্তু কইদিনই বা মনে থাকবে সেই মজার দিনের কথাগুলি? তাই যতটুকু মনে আছে, ততটুকুই লিখে রাখছি। ডাইরি লেখার অভ্যেস নেই, তাই ব্লগটাকেই না হয় ডাইরি হিসেবে ব্যবহার করলাম। আর একসাথে তো সব কথা লিখে ফেলা সম্ভব না, তাই খন্ড খন্ড করে লিখছি। আমাদের স্কুল ছিল ৩ কিলোমিটার দূরে। আর কাঁচা রাস্তা তো অবশ্যই। বর্ষার দিনে অই ৩ কিলোমিটার রাস্তা হয়ে যেতো
আরো পড়ুন
#আমার কথা

আমার ক্যান্সার রহস্য – পেছনের ঘটনা এবং কয়েকজনের ভালোবাসা

কয়েকবছর আগের ঘটনা, তখন আমি “অবুঝ বাঙালি” নামে ফেসবুক এ ঘুরাফেরা করতাম। অনেক মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি আমার এই নামটা থাকার সময়। এখন যেঁ পাইনা, তা নয়। আসলে, ফেসবুক কমিউনিটিতে আমি পরিচিতি লাভ করেছিলাম ওই নামটি দিয়েই। অনেকেই দেখা গেছে নতুন পরিচয় হয়েছে, ফেসবুক আইডি চাইলো। আইডি দেয়াড় পরে বলে, আরে আপনাকে তো আমি চিনি। এরকম ঘটনা কয়েকবার ঘটেছে, অনেক ভালো লাগতো তখন। যাই হোক, ঘটনায় ফিরে আসি। আমি আগে “ব্লগিং স্কু ল ” নামে একটা ফেসবুক গ্রুপ পরিচালনা করতাম। সেখানেই পরিচয় ছোটভাই সিফাতের সাথে। অনেক ভা
আরো পড়ুন
#আমার কথা

আমার বাই-সাইকেল চালানো এবং একমাত্র দুর্ঘটনা

বাই-সাইকেল, ছোট বেলায় যখন সমবয়সী সবাই মোটরবাইকের স্বপ্ন দেখত তখন আমি একটা বাই-সাইকেলের স্বপ্ন দেখতাম। আমি আমার পুরো ছোটবেলাটাই কাটিয়েছি মামার বাড়িতে। মামা বাড়িতে সবাই আদর করলেও, নিজের বাড়ির মতো কি আর সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায়… আমি মামা বাড়িতে একাই থাকতাম, আর আম্মু-আব্বু-ছোট ভাই তারা সিরাজগঞ্জে থাকতো। আব্বু বাড়ি থেকে রাগ করে চলে আসার পর আমাদের অর্থনৈতিক অবস্থা ছিল খুবই করুণ। বাই-সাইকেল? আমার লেখাপড়ার খরচ চালানো কষ্টকর হবে জন্য, আমি আমার ছোটবেলাটা ফ্যামিলির সাথেই থাকা হয়নি। এটা নিয়ে আমার মনে কোন দুঃ
আরো পড়ুন
#আমার কথা

ছোট বেলার হারিয়ে যাওয়া দিনগুলি – ১ম পর্ব

ছোট বেলা ভাবতাম বড়দের কত মজা, যা খুশি করতে পারে। কিন্তু বাস্তবে দেখছি সম্পূর্ণ উল্টো, যতই বড় হচ্ছি ততই মজা হারিয়ে ফেলছি। এখন মনে হয় ছোট বেলা ই অনেক ভালো ছিল, কেন বড় হলাম। ক্লাস এইট পর্যন্ত আমি মামা বাড়ি থাকতাম, আর আমার মামারা ছিলেন জয়েন্ট ফ্যামিলির। যদিও আমি তাদেরকে জয়েন্ট ফ্যামিলিতে দেখিনি, তারপরও তারা জয়েন্ট ফ্যামিলির মতই বাস করতেন। বাড়িতে আমরা সমবয়সী ছিলাম প্রায় ৫-৬ জন এবং আমরা একই স্কুলে, একই ক্লাসে পড়তাম। মামাদের ভালোবাসা এবং করা শাসনের মধ্যে অনেক মজাতেই ছিলাম। যদিও শাসনের পর মামার চোদ্দ
আরো পড়ুন
#আমার কথা

বিদায় অবুঝ বাঙালি, সৃতি হিসেবে থাকুক কয়েকটা কথা

অবুঝ বাঙালি, হাস্যকর একটা নাম তাই না? কিন্তু এই নামটিকে আমি অনেক ভালোবাসি। কারন, এই নামটি আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে। এই নাম নিয়েই ফেসবুক ব্যবহার বলতে যা বুঝায়, তা শুরু করেছিলাম। অনেকেই প্রশ্ন করেছেন যে, কেন আমি এই নাম বেছে নিয়েছি। পরিষ্কারভাবে আমি কাউকে কিছু বলিনি, হতে পারে আমি নিজেও জানি না কেন এই নাম নিয়েছি। নামটা পছন্দ করেছিলাম হঠাৎ করে একদিন রাত ২টার দিকে। তখন আমার নিক নেম দিয়ে ফেসবুক একাউন্ট ছিল। যাই হোক, নাম বাছাই করার সময়ে ঠিক বলতে পারব না কেন যেন খুব দেশপ্রেম অনুভব করছিলাম। এর কারন হতে পার
আরো পড়ুন